নারায়ণগঞ্জের ডিক্রির চর কবরস্থানে একটি সন্দেহজনক তাবিজ সদৃশ বস্তু পাওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সতর্কতামূলক পোস্ট দিয়েছেন আলমগীর কবির।
তার পোস্টে উল্লেখ করা হয়, জানাজা শেষে কবরস্থানে গিয়ে তিনি এমন একটি কাগজ দেখতে পান, যেখানে একাধিক নাম-ঠিকানার পাশাপাশি আরবি অক্ষর বা প্রতীক সদৃশ কিছু লেখা ছিল। এছাড়া কাগজে স্পষ্টভাবে “দুই কবরের মাঝখানে পুঁতে রাখতে হবে”—এমন নির্দেশনাও লেখা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
আলমগীর কবির পোস্টে আরও দাবি করেন, এটি কালোজাদু বা বান মারার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে এবং কোনো ব্যক্তি নির্জন কবরস্থানে এটি পুঁতে রেখেছিল।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি তাবিজটি কালোজাদুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়েও স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা একটি দাবির ভিত্তিতেই আলোচনায় এসেছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ডিক্রির চর কবরস্থানে একটি সন্দেহজনক তাবিজ সদৃশ বস্তু পাওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সতর্কতামূলক পোস্ট দিয়েছেন আলমগীর কবির।
তার পোস্টে উল্লেখ করা হয়, জানাজা শেষে কবরস্থানে গিয়ে তিনি এমন একটি কাগজ দেখতে পান, যেখানে একাধিক নাম-ঠিকানার পাশাপাশি আরবি অক্ষর বা প্রতীক সদৃশ কিছু লেখা ছিল। এছাড়া কাগজে স্পষ্টভাবে “দুই কবরের মাঝখানে পুঁতে রাখতে হবে”—এমন নির্দেশনাও লেখা ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
আলমগীর কবির পোস্টে আরও দাবি করেন, এটি কালোজাদু বা বান মারার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে এবং কোনো ব্যক্তি নির্জন কবরস্থানে এটি পুঁতে রেখেছিল।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি তাবিজটি কালোজাদুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়েও স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা একটি দাবির ভিত্তিতেই আলোচনায় এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন