নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের প্রভাবমুক্ত একটি নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে মহানগরে নির্বাচন ছাড়া কোনো কমিটি গঠন করা হবে না এবং গডফাদার সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তিও হতে দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে শহরের হোসিয়ারি সমিতির কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজের পারিবারিক পটভূমির কথা তুলে ধরে টিপু বলেন, তিনি হোসিয়ারি ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান এবং তার বাবা পাকিস্তান আমল থেকেই এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্বাধীনতার আগে উকিলপাড়ার মুকুল টেক্সটাইল নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপের কারণেই দেশে গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ ঘটেছে এবং পরবর্তীতে বিকেএমইএর মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি সততা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে টিপু বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সংকটময় পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, একসময় নারায়ণগঞ্জে গডফাদার সংস্কৃতির কারণে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোতে স্বাভাবিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর সৃষ্টি হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
নগর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং উকিলপাড়া ও নয়ামাটি সড়ক সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যান চলাচল সহজ করতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন জরুরি বলে তিনি মত দেন।
দলের শৃঙ্খলা বিষয়ে টিপু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন—দলের কোনো নেতা বা কর্মী অপকর্মে জড়ালে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ। এছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস ও সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুস সবুর খান সেন্টু।
অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের প্রভাবমুক্ত একটি নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে মহানগরে নির্বাচন ছাড়া কোনো কমিটি গঠন করা হবে না এবং গডফাদার সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তিও হতে দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে শহরের হোসিয়ারি সমিতির কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজের পারিবারিক পটভূমির কথা তুলে ধরে টিপু বলেন, তিনি হোসিয়ারি ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান এবং তার বাবা পাকিস্তান আমল থেকেই এ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্বাধীনতার আগে উকিলপাড়ার মুকুল টেক্সটাইল নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়িক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপের কারণেই দেশে গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ ঘটেছে এবং পরবর্তীতে বিকেএমইএর মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি সততা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে টিপু বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সংকটময় পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, একসময় নারায়ণগঞ্জে গডফাদার সংস্কৃতির কারণে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোতে স্বাভাবিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। তবে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর সৃষ্টি হবে না বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
নগর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং উকিলপাড়া ও নয়ামাটি সড়ক সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যান চলাচল সহজ করতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন জরুরি বলে তিনি মত দেন।
দলের শৃঙ্খলা বিষয়ে টিপু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন—দলের কোনো নেতা বা কর্মী অপকর্মে জড়ালে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ। এছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস ও সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুস সবুর খান সেন্টু।
অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন