সিদ্ধিরগঞ্জে বিউটি পার্লারের কর্মী পরিচয় ব্যবহার করে এক নারী কৌশলে দুই গৃহবধূর কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে মাদানীনগর এলাকার সিটি টাওয়ার নামের একটি বহুতল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, সকালে এক অচেনা নারী নিজেকে একই ভবনের বাসিন্দা এবং একটি বিউটি পার্লারের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে সুমাইয়া খানের বাসায় প্রবেশ করে। কথাবার্তার মাধ্যমে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে সে ফেসিয়াল করার প্রস্তাব দেয়। কিছুক্ষণ পর পাশের ফ্ল্যাটের আরেক গৃহবধূ সেখানে এলে তাকেও একই প্রস্তাবে রাজি করানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসিয়াল করার নাম করে দুই নারীকে চেয়ারে বসানোর পর কৌশলে চেতনানাশক জাতীয় কিছু ব্যবহার করা হয়। এতে তারা অসুস্থ ও কিছুটা অচেতন হয়ে পড়লে সুযোগ নেয় প্রতারক। এরপর তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার খুলে নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়ে ওই নারী।
লুট হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে রয়েছে সুমাইয়া খানের ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, ৪ আনা ওজনের দুটি দুল এবং অপর গৃহবধূর ৫ আনা ওজনের দুটি দুল। ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, এসব গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
ঘটনার পর সুমাইয়া খান সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জেসমিন সরকার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল ও ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রতারককে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জে বিউটি পার্লারের কর্মী পরিচয় ব্যবহার করে এক নারী কৌশলে দুই গৃহবধূর কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে মাদানীনগর এলাকার সিটি টাওয়ার নামের একটি বহুতল ভবনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, সকালে এক অচেনা নারী নিজেকে একই ভবনের বাসিন্দা এবং একটি বিউটি পার্লারের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে সুমাইয়া খানের বাসায় প্রবেশ করে। কথাবার্তার মাধ্যমে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে সে ফেসিয়াল করার প্রস্তাব দেয়। কিছুক্ষণ পর পাশের ফ্ল্যাটের আরেক গৃহবধূ সেখানে এলে তাকেও একই প্রস্তাবে রাজি করানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসিয়াল করার নাম করে দুই নারীকে চেয়ারে বসানোর পর কৌশলে চেতনানাশক জাতীয় কিছু ব্যবহার করা হয়। এতে তারা অসুস্থ ও কিছুটা অচেতন হয়ে পড়লে সুযোগ নেয় প্রতারক। এরপর তাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার খুলে নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়ে ওই নারী।
লুট হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে রয়েছে সুমাইয়া খানের ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, ৪ আনা ওজনের দুটি দুল এবং অপর গৃহবধূর ৫ আনা ওজনের দুটি দুল। ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী, এসব গহনার আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
ঘটনার পর সুমাইয়া খান সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জেসমিন সরকার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল ও ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রতারককে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন