নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, খেলাধুলা মানুষের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিযোগীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা গড়ে তোলে। তবে দুঃখজনকভাবে বর্তমানে ক্রীড়ার অনেক ক্ষেত্রই বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ শহরের বার একাডেমি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে এমপি আবুল কালাম বলেন, এমন আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। যারা আজ পুরস্কার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে, তাদের নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে তারা নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
তিনি বলেন, বাবা-মা অনেক কষ্ট করে সন্তানদের বড় করেন ও লালন-পালন করেন। তাদের সেই শ্রম ও ত্যাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের সম্মান দেখাতে হবে। এই শিক্ষিত প্রজন্মই আগামী দিনে দেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে। জাতির প্রত্যাশা তাদের ঘিরে।
শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, অনেকেই বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু শিক্ষার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না। বরং আরও একটি ভবন নির্মাণ কিংবা ফলাফল ভালো না হলেও তদবিরের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ তৈরির মতো দাবিই বেশি গুরুত্ব পায়। এ ধরনের প্রবণতা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, খেলাধুলা মানুষের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিযোগীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা গড়ে তোলে। তবে দুঃখজনকভাবে বর্তমানে ক্রীড়ার অনেক ক্ষেত্রই বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ শহরের বার একাডেমি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে এমপি আবুল কালাম বলেন, এমন আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। যারা আজ পুরস্কার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে, তাদের নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতা এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে তারা নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
তিনি বলেন, বাবা-মা অনেক কষ্ট করে সন্তানদের বড় করেন ও লালন-পালন করেন। তাদের সেই শ্রম ও ত্যাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের সম্মান দেখাতে হবে। এই শিক্ষিত প্রজন্মই আগামী দিনে দেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে। জাতির প্রত্যাশা তাদের ঘিরে।
শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, অনেকেই বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু শিক্ষার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে খুব একটা কথা বলতে দেখা যায় না। বরং আরও একটি ভবন নির্মাণ কিংবা ফলাফল ভালো না হলেও তদবিরের মাধ্যমে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ তৈরির মতো দাবিই বেশি গুরুত্ব পায়। এ ধরনের প্রবণতা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন