ডেঙ্গু প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জের সব উপজেলায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়নে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক র্যালির পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়।
জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জের উদ্যোগে জেলার সব উপজেলায় একই সময়ে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সময় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে র্যালিসহ বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টরা জানান, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও প্রয়োজন।
এ সময় জেলার বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল এবং আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জের সব উপজেলায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়নে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক র্যালির পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়।
জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জের উদ্যোগে জেলার সব উপজেলায় একই সময়ে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সময় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে র্যালিসহ বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টরা জানান, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এজন্য শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণও প্রয়োজন।
এ সময় জেলার বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল এবং আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন