শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ক্রিয়েটিভ অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবল লীগ ২০২৬। টিম ক্রিয়েটিভের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফুটবল লীগে অনূর্ধ্ব-১৪ বয়সী খুদে খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছে।
লীগে মোট ছয়টি দল অংশগ্রহণ করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর নামে দলগুলোর নামকরণ করা হয়েছে। দলগুলো হলো—শীতলক্ষ্যা, পদ্মা, মেঘনা, তিতাস, ধানসিঁড়ি ও ইছামতি।
আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ফুটবলের মাধ্যমে খুদে খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগও তৈরি হবে বলে তারা আশা করছেন।
এ আয়োজনে অংশ নেওয়া সব খুদে খেলোয়াড়ের জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের মেধা ও মননের বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
আয়োজকরা মনে করছেন, শিশু-কিশোরদের জন্য নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করা গেলে তাদের সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে উঠবে।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশু-কিশোরবান্ধব ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
তারিখ: ২ অক্টোবর ২০২৬

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখতে আয়োজন করা হয়েছে ক্রিয়েটিভ অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবল লীগ ২০২৬। টিম ক্রিয়েটিভের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফুটবল লীগে অনূর্ধ্ব-১৪ বয়সী খুদে খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছে।
লীগে মোট ছয়টি দল অংশগ্রহণ করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর নামে দলগুলোর নামকরণ করা হয়েছে। দলগুলো হলো—শীতলক্ষ্যা, পদ্মা, মেঘনা, তিতাস, ধানসিঁড়ি ও ইছামতি।
আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ফুটবলের মাধ্যমে খুদে খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগও তৈরি হবে বলে তারা আশা করছেন।
এ আয়োজনে অংশ নেওয়া সব খুদে খেলোয়াড়ের জন্য শুভকামনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু-কিশোরদের মেধা ও মননের বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
আয়োজকরা মনে করছেন, শিশু-কিশোরদের জন্য নিয়মিত খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করা গেলে তাদের সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে উঠবে।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশু-কিশোরবান্ধব ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
তারিখ: ২ অক্টোবর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন