ঝুট ও চাঁদার ভাগের জন্য হাতেমকে আশ্রয় দিচ্ছেন বিএনপি নেতারা: এমপি আল-আমিন
পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা ও চাঁদাবাজির ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বিএনপি নেতাদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন। তাঁর দাবি, এসব স্বার্থের কারণে হাতেমকে আশ্রয় দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, প্রকৃত শ্রমিক ও শিল্প মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মজুরি নির্ধারণ করা সরকারের দায়িত্ব। শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্প মালিকদের ব্যবসা সচল রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। দুই পক্ষের স্বার্থ সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন ও অংশগ্রহণ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য। তবে তাঁর মতে, আন্দোলনে আওয়ামী লীগের লোকজন যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে প্রকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। শ্রমিকের মৃত্যু এবং গায়েবানা জানাজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল বক্তব্য ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ও ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ আখ্যা দিয়ে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, তাঁকে পদে রেখে শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন ঠেকানো সম্ভব নয়। এ সময় হাতেমের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কারখানার ঝুট ব্যবসা ও চাঁদাবাজির ভাগ পাওয়ার স্বার্থে স্থানীয় বিএনপি নেতারা হাতেমের সঙ্গে আঁতাত করেছেন এবং তাঁকে আশ্রয় দিচ্ছেন।
সবশেষে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পোশাকশিল্প রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন এনসিপির এই নেতা। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ নাশকতা বা অন্য কোনোভাবে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি। তবে মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান দীর্ঘায়িত হলে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের ক্ষতির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন আব্দুল্লাহ আল আমিন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ঝুট ও চাঁদার ভাগের জন্য হাতেমকে আশ্রয় দিচ্ছেন বিএনপি নেতারা: এমপি আল-আমিন
পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা ও চাঁদাবাজির ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বিএনপি নেতাদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন। তাঁর দাবি, এসব স্বার্থের কারণে হাতেমকে আশ্রয় দিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, প্রকৃত শ্রমিক ও শিল্প মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মজুরি নির্ধারণ করা সরকারের দায়িত্ব। শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্প মালিকদের ব্যবসা সচল রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। দুই পক্ষের স্বার্থ সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন ও অংশগ্রহণ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য। তবে তাঁর মতে, আন্দোলনে আওয়ামী লীগের লোকজন যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে প্রকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। শ্রমিকের মৃত্যু এবং গায়েবানা জানাজায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল বক্তব্য ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।
বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ ও ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ আখ্যা দিয়ে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, তাঁকে পদে রেখে শ্রমিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন ঠেকানো সম্ভব নয়। এ সময় হাতেমের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কারখানার ঝুট ব্যবসা ও চাঁদাবাজির ভাগ পাওয়ার স্বার্থে স্থানীয় বিএনপি নেতারা হাতেমের সঙ্গে আঁতাত করেছেন এবং তাঁকে আশ্রয় দিচ্ছেন।
সবশেষে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পোশাকশিল্প রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন এনসিপির এই নেতা। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ নাশকতা বা অন্য কোনোভাবে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দেন তিনি। তবে মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান দীর্ঘায়িত হলে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের ক্ষতির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন আব্দুল্লাহ আল আমিন।

আপনার মতামত লিখুন