মাসুদের বক্তব্য নিয়ে আজাদের পাল্টা প্রশ্ন, ‘কারা টাকা চায়, নাম বলুন’
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বেতন ও পোশাকশিল্পের মালিকদের বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের প্রসঙ্গ ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামানের দেওয়া বক্তব্যের পর এবার সংশ্লিষ্টদের পরিচয় প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ।
রোববার (৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি। এ সময় সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় বিকেএমইএর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় অসন্তোষ জানান আজাদ।
এর আগে শ্রমিক অসন্তোষের সময় চেম্বারের একটি সভায় মাসুদুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জন্মদিন এবং সরকারি দপ্তরের নানা কাজে মালিকদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। এসব খাতে টাকা দিতে না হলে শ্রমিকদের আরও বেশি বেতন দেওয়ার সুযোগ থাকত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে আজাদ বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কিংবা জন্মদিনের নামে তাঁদের দল বা নেতাদের অর্থ দিতে হয়—এমন কিছু তাঁর জানা নেই। তবে কেউ এ ধরনের টাকা দাবি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করতে হবে। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর প্রসঙ্গে আজাদ মাসুদুজ্জামানকে নিজের প্রতিষ্ঠান থেকেই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মাসুদ আগে নিজে দৃষ্টান্ত তৈরি করুন। এরপর অন্য মালিকদের নিয়ে তাঁরাও সেই পথ অনুসরণ করবেন।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
মাসুদের বক্তব্য নিয়ে আজাদের পাল্টা প্রশ্ন, ‘কারা টাকা চায়, নাম বলুন’
নারায়ণগঞ্জে শ্রমিকদের বেতন ও পোশাকশিল্পের মালিকদের বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয়ের প্রসঙ্গ ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামানের দেওয়া বক্তব্যের পর এবার সংশ্লিষ্টদের পরিচয় প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ।
রোববার (৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি। এ সময় সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় বিকেএমইএর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় অসন্তোষ জানান আজাদ।
এর আগে শ্রমিক অসন্তোষের সময় চেম্বারের একটি সভায় মাসুদুজ্জামান অভিযোগ করেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জন্মদিন এবং সরকারি দপ্তরের নানা কাজে মালিকদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। এসব খাতে টাকা দিতে না হলে শ্রমিকদের আরও বেশি বেতন দেওয়ার সুযোগ থাকত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে আজাদ বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কিংবা জন্মদিনের নামে তাঁদের দল বা নেতাদের অর্থ দিতে হয়—এমন কিছু তাঁর জানা নেই। তবে কেউ এ ধরনের টাকা দাবি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করতে হবে। সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর প্রসঙ্গে আজাদ মাসুদুজ্জামানকে নিজের প্রতিষ্ঠান থেকেই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মাসুদ আগে নিজে দৃষ্টান্ত তৈরি করুন। এরপর অন্য মালিকদের নিয়ে তাঁরাও সেই পথ অনুসরণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন