ফ্যাসিস্ট আমলে কার কী ভূমিকা ছিল, খোঁজখবর আছে: এমপি আজাদ
অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বা বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে যারা অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ। শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে কেউ অর্থায়ন বা উসকানির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তাঁদের আইনের আওতায় আনার কথাও বলেছেন তিনি।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তব্য দেন আজাদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে শ্রমিক, মালিক, রাজনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট সবাই ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই শ্রমিক ও মালিক—উভয় পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাজ করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে আজাদ বলেন, সমালোচনার পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেওয়ার পরপরই মজুরি কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কাজ এগিয়ে চলছে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিক আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন আজাদ। আল আমিনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় আন্দোলনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁকে সঙ্গে পাওয়ার আশা ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে আল আমিন আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ সময় শ্রমিক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে এনসিপির মিছিল করার প্রসঙ্গও তোলেন আজাদ। তাঁর মতে, আন্দোলনের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ও জানান তিনি।
সভায় বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য। বিশেষ করে মেট্রো গার্মেন্টস নিয়ে আলোচনার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির মালিক অমল সাহা, যিনি বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, তাঁর উপস্থিতি প্রয়োজন ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম।

সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ফ্যাসিস্ট আমলে কার কী ভূমিকা ছিল, খোঁজখবর আছে: এমপি আজাদ
অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বা বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে যারা অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলায় জড়িয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ। শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে কেউ অর্থায়ন বা উসকানির মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তাঁদের আইনের আওতায় আনার কথাও বলেছেন তিনি।
রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তব্য দেন আজাদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে শ্রমিক, মালিক, রাজনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্ট সবাই ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই শ্রমিক ও মালিক—উভয় পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাজ করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে আজাদ বলেন, সমালোচনার পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেওয়ার পরপরই মজুরি কমিশন গঠন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কাজ এগিয়ে চলছে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিক আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন আজাদ। আল আমিনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় আন্দোলনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁকে সঙ্গে পাওয়ার আশা ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে আল আমিন আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
এ সময় শ্রমিক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে এনসিপির মিছিল করার প্রসঙ্গও তোলেন আজাদ। তাঁর মতে, আন্দোলনের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ও জানান তিনি।
সভায় বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সংসদ সদস্য। বিশেষ করে মেট্রো গার্মেন্টস নিয়ে আলোচনার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির মালিক অমল সাহা, যিনি বিকেএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, তাঁর উপস্থিতি প্রয়োজন ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম।

আপনার মতামত লিখুন