এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা বলেছেন, নিজের ওপর আঘাতের ঘটনাকে তিনি যেভাবে ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন, একইভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে করা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী নেতাকর্মীদের আহত করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে নগরীর ডিআইটি মসজিদের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কাউসার আশা বলেন, “আপনার রক্ত ঝরানো যেমন ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে নিয়েছেন, তেমনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী লাখো নেতাকর্মী আপনার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকেও ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছে। এ জন্য তারেক রহমান বা অন্য কোনো নেতাকে দায়ী করে লাভ নেই। ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে।”
তিনি বলেন, রাজনীতিতে মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে বক্তব্যে শালীনতা ও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত।
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বললেই বিএনপি ক্ষুব্ধ হয়—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। বরং বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে কথা বললে এনসিপি ও জামায়াতের নেতাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবুল কাউসার আশা বলেন, “একাত্তর যেমন কোনো একক দলের সম্পত্তি নয়, তেমনি চব্বিশও কারও একার নয়। ছাত্র, জনতা ও শ্রমিকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এটিকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করার চিন্তা পরিহার করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ সময় তিনি দলটির নেতাকর্মীদের গুম ও হত্যার শিকার হওয়ার বিষয়গুলোও তুলে ধরেন।
জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে আবুল কাউসার আশা বলেন, অতীতে একসঙ্গে আন্দোলন, আদালত ও কারাগারের অভিজ্ঞতা থাকায় অনেক সময় তাদের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সংযত থাকেন।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা বলেছেন, নিজের ওপর আঘাতের ঘটনাকে তিনি যেভাবে ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছেন, একইভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে করা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী নেতাকর্মীদের আহত করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে নগরীর ডিআইটি মসজিদের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কাউসার আশা বলেন, “আপনার রক্ত ঝরানো যেমন ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে নিয়েছেন, তেমনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী লাখো নেতাকর্মী আপনার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যকেও ব্যক্তিগতভাবে নিয়েছে। এ জন্য তারেক রহমান বা অন্য কোনো নেতাকে দায়ী করে লাভ নেই। ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে।”
তিনি বলেন, রাজনীতিতে মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে বক্তব্যে শালীনতা ও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত।
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বললেই বিএনপি ক্ষুব্ধ হয়—এমন অভিযোগ সঠিক নয়। বরং বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে কথা বললে এনসিপি ও জামায়াতের নেতাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আবুল কাউসার আশা বলেন, “একাত্তর যেমন কোনো একক দলের সম্পত্তি নয়, তেমনি চব্বিশও কারও একার নয়। ছাত্র, জনতা ও শ্রমিকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। এটিকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করার চিন্তা পরিহার করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। এ সময় তিনি দলটির নেতাকর্মীদের গুম ও হত্যার শিকার হওয়ার বিষয়গুলোও তুলে ধরেন।
জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে আবুল কাউসার আশা বলেন, অতীতে একসঙ্গে আন্দোলন, আদালত ও কারাগারের অভিজ্ঞতা থাকায় অনেক সময় তাদের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সংযত থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন