নারায়ণগঞ্জ: দেশের শিল্পখাতের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে শুধু নতুন ঋণের ব্যবস্থা করলেই হবে না, পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, সহনীয় সুদে অর্থায়ন এবং শিল্পাঞ্চলে নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
তিনি বলেন, একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব কেবল উদ্যোক্তার ব্যবসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে অসংখ্য শ্রমিকের কর্মসংস্থান, তাদের পরিবারের জীবনযাপন, স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
মোহাম্মদ হাতেমের মতে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসইভাবে পরিচালনার জন্য উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি এবং শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্পখাতের সক্ষমতা ধরে রাখা গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিক পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ: দেশের শিল্পখাতের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে শুধু নতুন ঋণের ব্যবস্থা করলেই হবে না, পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, সহনীয় সুদে অর্থায়ন এবং শিল্পাঞ্চলে নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
তিনি বলেন, একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব কেবল উদ্যোক্তার ব্যবসার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে অসংখ্য শ্রমিকের কর্মসংস্থান, তাদের পরিবারের জীবনযাপন, স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
মোহাম্মদ হাতেমের মতে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসইভাবে পরিচালনার জন্য উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি এবং শিল্পাঞ্চলে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, শিল্পখাতের সক্ষমতা ধরে রাখা গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিক পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন