বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতিকে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়। একই দিন আওয়ামী লীগের সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও তৎকালীন সরকারি কর্মকর্তাকেও ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, হামলা ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তদন্তের ধারাবাহিকতায় কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হচ্ছে।
গোলাম দস্তগীর গাজীকে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টনের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত এই মুক্তিযোদ্ধা এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে এবং গ্রেপ্তারের পর কয়েক দফায় রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মতিউর রহমান মতি ও তাঁর ছেলে মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মতি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এর আগে ২০২৩ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় কারাভোগ করেন মতিউর রহমান।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্তে গাজী ও মতির ট্রাইব্যুনালে হাজিরাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছে প্রসিকিউশন। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতিকে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়। একই দিন আওয়ামী লীগের সাবেক কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও তৎকালীন সরকারি কর্মকর্তাকেও ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, হামলা ও অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তদন্তের ধারাবাহিকতায় কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হচ্ছে।
গোলাম দস্তগীর গাজীকে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টনের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত এই মুক্তিযোদ্ধা এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে এবং গ্রেপ্তারের পর কয়েক দফায় রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মতিউর রহমান মতি ও তাঁর ছেলে মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মতি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এর আগে ২০২৩ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলায় কারাভোগ করেন মতিউর রহমান।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্তে গাজী ও মতির ট্রাইব্যুনালে হাজিরাকে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছে প্রসিকিউশন। তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন