নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে একটি শক্তিশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট। প্রশাসনের নজরে বিষয়টি থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কার মদদে চলছে এই মাটিকাটা?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বক্তাবলীর ধলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন অংশে ড্রেজার ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে এসব মাটি বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে গত দুই দিন আগে বক্তাবলীর গংগানগর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল আল আমিন নদীতে চাঁদাবাজি ও মাটিকাটা নিয়ে কথা বলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “নদীতে চাঁদাবাজি, মাটিকাটা হলেও নৌ পুলিশের চোখে সেগুলো পড়ে না, তারা ঘুমায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এমপির এমন বক্তব্যের পরও ধলেশ্বরী নদীতে মাটিকাটা বন্ধ হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যের পরও কার প্রভাব বা ছত্রছায়ায় নদী থেকে মাটি উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে?
দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মাটি বা বালু উত্তোলনের ঘটনায় এই আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়ার নজিরও রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ধলেশ্বরী নদী থেকে মাটি কাটার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি রাজনৈতিকভাবেও চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে অনেকে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে বা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নদী থেকে মাটি কাটার কারণে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও তীরবর্তী এলাকার ওপর এর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তবে সংশ্লিষ্টদের ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীতে মাটি কাটার কার্যক্রম চললেও তা বন্ধে দৃশ্যমান ও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা সিন্ডিকেটের কারা রয়েছেন, তাদের নাম ও এ কার্যক্রমের বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
ধলেশ্বরী নদী থেকে মাটি উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে একটি শক্তিশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট। প্রশাসনের নজরে বিষয়টি থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—কার মদদে চলছে এই মাটিকাটা?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বক্তাবলীর ধলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন অংশে ড্রেজার ও অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে এসব মাটি বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে গত দুই দিন আগে বক্তাবলীর গংগানগর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল আল আমিন নদীতে চাঁদাবাজি ও মাটিকাটা নিয়ে কথা বলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “নদীতে চাঁদাবাজি, মাটিকাটা হলেও নৌ পুলিশের চোখে সেগুলো পড়ে না, তারা ঘুমায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, এমপির এমন বক্তব্যের পরও ধলেশ্বরী নদীতে মাটিকাটা বন্ধ হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যের পরও কার প্রভাব বা ছত্রছায়ায় নদী থেকে মাটি উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে?
দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মাটি বা বালু উত্তোলনের ঘটনায় এই আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়ার নজিরও রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ধলেশ্বরী নদী থেকে মাটি কাটার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি রাজনৈতিকভাবেও চাপ সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে অনেকে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে বা প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নদী থেকে মাটি কাটার কারণে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও তীরবর্তী এলাকার ওপর এর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তবে সংশ্লিষ্টদের ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীতে মাটি কাটার কার্যক্রম চললেও তা বন্ধে দৃশ্যমান ও স্থায়ী কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন, নৌ পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
তবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা সিন্ডিকেটের কারা রয়েছেন, তাদের নাম ও এ কার্যক্রমের বৈধ অনুমোদন রয়েছে কি না—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
ধলেশ্বরী নদী থেকে মাটি উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন