বন্দরের খেয়াঘাটে ক্যাফে শাহ পরানে অভিযান, মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
খাবার তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও হোটেল পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ‘ক্যাফে শাহ পরান’ হোটেলকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর ১ নম্বর খেয়াঘাট সংলগ্ন যুবরাজ সুপার মার্কেটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে বন্দর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ক্যাফে শাহ পরানে গিয়ে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অনিয়ম দেখতে পান আদালত। প্রতিষ্ঠানটির রান্নাঘর ও আশপাশের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর। একই সঙ্গে বাসি খাবার সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।
অভিযানের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ও ৫৩ ধারায় হোটেল মালিক ফরিদকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে হোটেল কর্তৃপক্ষকে রান্নাঘরসহ পুরো প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি হোটেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার একই এলাকার লাইভ বেকারী, মিঠা বেকারী ও রোজা বেকারীও পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা, উৎপাদনের সময় যথাযথ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং বেকারির সার্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ দেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বন্দরের খেয়াঘাটে ক্যাফে শাহ পরানে অভিযান, মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা
খাবার তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও হোটেল পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ‘ক্যাফে শাহ পরান’ হোটেলকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর ১ নম্বর খেয়াঘাট সংলগ্ন যুবরাজ সুপার মার্কেটে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে বন্দর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ক্যাফে শাহ পরানে গিয়ে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অনিয়ম দেখতে পান আদালত। প্রতিষ্ঠানটির রান্নাঘর ও আশপাশের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর। একই সঙ্গে বাসি খাবার সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।
অভিযানের সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ও ৫৩ ধারায় হোটেল মালিক ফরিদকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে হোটেল কর্তৃপক্ষকে রান্নাঘরসহ পুরো প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি হোটেল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবানী সরকার একই এলাকার লাইভ বেকারী, মিঠা বেকারী ও রোজা বেকারীও পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের খাদ্যপণ্যের মান বজায় রাখা, উৎপাদনের সময় যথাযথ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং বেকারির সার্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন