বি পি নিউজ ২৪

মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ও মামলা তদন্তে সাফল্য, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার


প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ও মামলা তদন্তে সাফল্য, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার

অপরাধ দমন, আসামি গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং বিভিন্ন মামলার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ সভা ও আগস্ট মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

দিনের কর্মসূচির শুরুতে সকাল ৮টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে অংশ নেন।

পরে সকাল ১০টায় পুলিশ লাইনসের ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত হয় মাসিক কল্যাণ সভা। এতে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জ ও সদস্যরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রের সমস্যা, প্রয়োজনীয়তা এবং বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান সদস্যদের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। একই সভায় পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

বন্দর থানা এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মী বুলবুল হত্যাকাণ্ডে দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) দীপংকর ঘোষ এবং বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন বিশেষ পুরস্কার পান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে শেখ সিফাতসহ ১১ আসামিকে দেশীয় অস্ত্রসহ মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলে সাফল্যের জন্য এসআই (নিঃ) মো. রমজান হোসেনকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত করা হয়। তিনি মোট ৫৬টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন আইনগত কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন।

এএসআই (নিঃ) আনোয়ার হোসেন শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৩৮টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিষ্পত্তির পাশাপাশি আসামি গ্রেপ্তার এবং ৩৯ পিস ইয়াবা ও ৬ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারে ভূমিকা রাখেন।

মাদক উদ্ধারে সাফল্যের জন্য এসআই মো. আবু সাদেককে শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। তিনি পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৭৬ কেজি গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন।

অস্ত্র উদ্ধার ও ক্লুলেস মামলার তদন্তে অবদানের জন্য এসআই নন্দন চন্দ্র সরকারকে দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন এবং লুণ্ঠিত হায়েস গাড়ি উদ্ধারে তিনি ভূমিকা রাখেন।

ক্লুলেস মামলার তদন্তে অবদানের জন্য এসআই মফিজুল ইসলাম পিপিএমকেও পুরস্কৃত করা হয়। ডাকাতি মামলায় আসামি গ্রেপ্তার ও স্বর্ণ উদ্ধারের পাশাপাশি অপহৃত তিনজনকে ৫৮ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ক্ষেত্রেও তার অবদানের কথা জানানো হয়।

জেলার শ্রেষ্ঠ ডিবি কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন এসআই (নিঃ) মিঠুন কুমার দত্ত। তার নেতৃত্বে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ছাড়া জেলা বিশেষ শাখায় (ডিএসবি) কর্মরত এসআই (নিঃ) মো. ইজাহার আলী, ওয়াচার কনস্টেবল মো. মোখলেছুর রহমান, ওয়াচার কনস্টেবল মো. ইসমাইল খান, কনস্টেবল মো. সাজ্জাদ বিন ইউসুফ (এসএএফ) এবং কনস্টেবল মামুন অর রশিদ (এসএএফ) অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন।

দিনের কর্মসূচির শেষ ধাপে দুপুর ১২টায় আগস্ট ২০২৬ মাসের অপরাধ পরিস্থিতি ও বিভিন্ন মামলার অগ্রগতি নিয়ে অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে আগস্ট মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান, মামলাগুলোর অগ্রগতি এবং আইনগত কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান মামলা তদন্তের অগ্রগতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সিআইডি নারায়ণগঞ্জের চিফ মো. জাকির হোসেন, পিবিআই নারায়ণগঞ্জের ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ বিপিএম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৪ নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদক-অস্ত্র উদ্ধার ও মামলা তদন্তে সাফল্য, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

অপরাধ দমন, আসামি গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং বিভিন্ন মামলার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড, মাসিক কল্যাণ সভা ও আগস্ট মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

দিনের কর্মসূচির শুরুতে সকাল ৮টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে অংশ নেন।

পরে সকাল ১০টায় পুলিশ লাইনসের ড্রিল শেডে অনুষ্ঠিত হয় মাসিক কল্যাণ সভা। এতে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জ ও সদস্যরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রের সমস্যা, প্রয়োজনীয়তা এবং বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান সদস্যদের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। একই সভায় পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

বন্দর থানা এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মী বুলবুল হত্যাকাণ্ডে দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) দীপংকর ঘোষ এবং বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন বিশেষ পুরস্কার পান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডে শেখ সিফাতসহ ১১ আসামিকে দেশীয় অস্ত্রসহ মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলে সাফল্যের জন্য এসআই (নিঃ) মো. রমজান হোসেনকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত করা হয়। তিনি মোট ৫৬টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিষ্পত্তিসহ বিভিন্ন আইনগত কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন।

এএসআই (নিঃ) আনোয়ার হোসেন শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৩৮টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিষ্পত্তির পাশাপাশি আসামি গ্রেপ্তার এবং ৩৯ পিস ইয়াবা ও ৬ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারে ভূমিকা রাখেন।

মাদক উদ্ধারে সাফল্যের জন্য এসআই মো. আবু সাদেককে শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। তিনি পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৭৬ কেজি গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন।

অস্ত্র উদ্ধার ও ক্লুলেস মামলার তদন্তে অবদানের জন্য এসআই নন্দন চন্দ্র সরকারকে দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একটি ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন এবং লুণ্ঠিত হায়েস গাড়ি উদ্ধারে তিনি ভূমিকা রাখেন।

ক্লুলেস মামলার তদন্তে অবদানের জন্য এসআই মফিজুল ইসলাম পিপিএমকেও পুরস্কৃত করা হয়। ডাকাতি মামলায় আসামি গ্রেপ্তার ও স্বর্ণ উদ্ধারের পাশাপাশি অপহৃত তিনজনকে ৫৮ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ক্ষেত্রেও তার অবদানের কথা জানানো হয়।

জেলার শ্রেষ্ঠ ডিবি কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন এসআই (নিঃ) মিঠুন কুমার দত্ত। তার নেতৃত্বে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ছাড়া জেলা বিশেষ শাখায় (ডিএসবি) কর্মরত এসআই (নিঃ) মো. ইজাহার আলী, ওয়াচার কনস্টেবল মো. মোখলেছুর রহমান, ওয়াচার কনস্টেবল মো. ইসমাইল খান, কনস্টেবল মো. সাজ্জাদ বিন ইউসুফ (এসএএফ) এবং কনস্টেবল মামুন অর রশিদ (এসএএফ) অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন।

দিনের কর্মসূচির শেষ ধাপে দুপুর ১২টায় আগস্ট ২০২৬ মাসের অপরাধ পরিস্থিতি ও বিভিন্ন মামলার অগ্রগতি নিয়ে অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদী পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে আগস্ট মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান, মামলাগুলোর অগ্রগতি এবং আইনগত কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

সভায় পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান মামলা তদন্তের অগ্রগতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সিআইডি নারায়ণগঞ্জের চিফ মো. জাকির হোসেন, পিবিআই নারায়ণগঞ্জের ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ বিপিএম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৪ নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ