নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীতে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর। বক্তাবলী ইটভাটা মালিক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আকবরনগরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ, মারামারি, চাঁদাবাজি ও হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
তাদের ভাষ্য, ওই সময় সলিমুল্লাহ হাজী ও সামেদ আলীকে ঘিরে একটি পক্ষ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। অভিযোগ রয়েছে, নিজেদের প্রভাব বাড়াতে তারা তৎকালীন স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, পুরোনো বিরোধের কারণে আগামীকালের সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সতর্কবার্তার তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, হাজী সলিমুল্লাহর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ছবিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার উপস্থিতি দেখা যায়। তার ভাই খবির উদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বিভিন্ন কর্মসূচিতে লোকজন নিয়ে অংশ নিতেন বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেন।
সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে ধর্মগঞ্জ ঘাটের পাশে হাজী সলিমুল্লাহ ব্রিক ফিল্ডের মাঠে। আয়োজক হিসেবে হাজী সলিমুল্লাহর নাম জানা গেছে।
সমাবেশে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক বারী ভূঁইয়াসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।
একটি অংশ হাজী সলিমুল্লাহর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তার পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে আলোচনা রয়েছে পুরোনো রাজনৈতিক বলয় থেকে বের হয়ে নতুন রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সলিমুল্লাহ গ্রুপের নতুন করে সম্পৃক্ততা তৈরি হচ্ছে কি না।
স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, বিএনপির জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ আগামীকালের সমাবেশে উপস্থিত থাকলে আয়োজক পক্ষ রাজনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে। তাদের মতে, প্রভাবশালী নেতাদের উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় নিজেদের প্রভাব আরও বিস্তারের চেষ্টা করতে পারে সংশ্লিষ্ট পক্ষ। তবে এটি স্থানীয়দের আশঙ্কা ও মতামত; এ বিষয়ে আয়োজক পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীতে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর। বক্তাবলী ইটভাটা মালিক সমিতির ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আকবরনগরে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ, মারামারি, চাঁদাবাজি ও হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
তাদের ভাষ্য, ওই সময় সলিমুল্লাহ হাজী ও সামেদ আলীকে ঘিরে একটি পক্ষ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছিল। অভিযোগ রয়েছে, নিজেদের প্রভাব বাড়াতে তারা তৎকালীন স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, পুরোনো বিরোধের কারণে আগামীকালের সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সতর্কবার্তার তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, হাজী সলিমুল্লাহর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ছবিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার উপস্থিতি দেখা যায়। তার ভাই খবির উদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বিভিন্ন কর্মসূচিতে লোকজন নিয়ে অংশ নিতেন বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেন।
সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে ধর্মগঞ্জ ঘাটের পাশে হাজী সলিমুল্লাহ ব্রিক ফিল্ডের মাঠে। আয়োজক হিসেবে হাজী সলিমুল্লাহর নাম জানা গেছে।
সমাবেশে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক বারী ভূঁইয়াসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।
একটি অংশ হাজী সলিমুল্লাহর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তার পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা নিয়েও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে আলোচনা রয়েছে পুরোনো রাজনৈতিক বলয় থেকে বের হয়ে নতুন রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সলিমুল্লাহ গ্রুপের নতুন করে সম্পৃক্ততা তৈরি হচ্ছে কি না।
স্থানীয়দের একাংশের ধারণা, বিএনপির জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ আগামীকালের সমাবেশে উপস্থিত থাকলে আয়োজক পক্ষ রাজনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে। তাদের মতে, প্রভাবশালী নেতাদের উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় নিজেদের প্রভাব আরও বিস্তারের চেষ্টা করতে পারে সংশ্লিষ্ট পক্ষ। তবে এটি স্থানীয়দের আশঙ্কা ও মতামত; এ বিষয়ে আয়োজক পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন