চাঁদাবাজি করে যুবদলের পদ পাওয়ার সুযোগ নেই: সজল
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা বিএনপির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করে যুবদলের পদ-পদবি পাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সততা ও আদর্শের ভিত্তিতেই সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আয়োজনে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সজল।
বক্তব্যের শুরুতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা এবং মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। সজল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপি আজ রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তাঁর ভাষায়, সংগ্রাম ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বহন করছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তারেক রহমানও যুবদলকে রাজপথের শক্তিশালী আন্দোলনকারী সংগঠন হিসেবে চেনেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের সমালোচনা করে সজল অভিযোগ করেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা, গুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছিল। জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। এ সময় বিএনপির ৪৮৭ জন নেতাকর্মী হত্যার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের বিরোধিতা করে সজল নব্বইয়ের দশকে এরশাদ সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর জাতীয় পার্টি আর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। একইভাবে আওয়ামী লীগও বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন।
যুবদলের সাংগঠনিক পরিচয় ও নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মহানগর শাখার এই আহ্বায়ক। তিনি বলেন, সংগঠনের সদস্য নন কিংবা কোনো পদে দায়িত্বে নেই—এমন কেউ নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিলে তা যাচাই করা প্রয়োজন। সামান্য অর্থের বিনিময়ে কাউকে সংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত করার বিরুদ্ধেও অবস্থান জানান তিনি।
সজলের ভাষ্য, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন এবং সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন, ভবিষ্যতে তাঁদেরই নেতৃত্বে আসা উচিত। যাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আগামী দিনেও তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা বলেন সজল। তাঁর মতে, যুবদলের নেতৃত্বে আসতে হলে তারেক রহমানের আদর্শ ধারণের পাশাপাশি ন্যায় ও সততার পথে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের ঐতিহ্য ও আদর্শ রক্ষায় কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদাবাজি করে যুবদলের পদ পাওয়ার সুযোগ নেই: সজল
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস কিংবা বিএনপির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করে যুবদলের পদ-পদবি পাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সততা ও আদর্শের ভিত্তিতেই সংগঠনের নেতৃত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আয়োজনে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সজল।
বক্তব্যের শুরুতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা এবং মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। সজল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপি আজ রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। তাঁর ভাষায়, সংগ্রাম ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বহন করছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তারেক রহমানও যুবদলকে রাজপথের শক্তিশালী আন্দোলনকারী সংগঠন হিসেবে চেনেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের সমালোচনা করে সজল অভিযোগ করেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা, গুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছিল। জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। এ সময় বিএনপির ৪৮৭ জন নেতাকর্মী হত্যার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের বিরোধিতা করে সজল নব্বইয়ের দশকে এরশাদ সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর জাতীয় পার্টি আর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। একইভাবে আওয়ামী লীগও বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন।
যুবদলের সাংগঠনিক পরিচয় ও নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মহানগর শাখার এই আহ্বায়ক। তিনি বলেন, সংগঠনের সদস্য নন কিংবা কোনো পদে দায়িত্বে নেই—এমন কেউ নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিলে তা যাচাই করা প্রয়োজন। সামান্য অর্থের বিনিময়ে কাউকে সংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিত করার বিরুদ্ধেও অবস্থান জানান তিনি।
সজলের ভাষ্য, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন এবং সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন, ভবিষ্যতে তাঁদেরই নেতৃত্বে আসা উচিত। যাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আগামী দিনেও তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা বলেন সজল। তাঁর মতে, যুবদলের নেতৃত্বে আসতে হলে তারেক রহমানের আদর্শ ধারণের পাশাপাশি ন্যায় ও সততার পথে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের ঐতিহ্য ও আদর্শ রক্ষায় কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন