নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নান্দনিক করে তুলতে নেওয়া হয়েছে নতুন উদ্যোগ। আগের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এবার এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে চারটি সোলার স্ট্রিট লাইট। পাশাপাশি পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়াতে করা হয়েছে বৃক্ষরোপণ। গত শনিবার ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই কার্যক্রমের পর এলাকাটির পরিবেশ আরও উন্নত করার অংশ হিসেবে আলোকসজ্জা ও সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ফলে সন্ধ্যার পর এলাকাটি আলোকিত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাঠ সংলগ্ন এলাকায় সবুজ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি স্থানটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে নিয়মিত রাখার এবং স্থাপন করা লাইট ও বৃক্ষের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক এলাকাটির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাসহ সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন ও সবুজায়নের এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকাকে আরও সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গঠনে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নান্দনিক করে তুলতে নেওয়া হয়েছে নতুন উদ্যোগ। আগের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এবার এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে চারটি সোলার স্ট্রিট লাইট। পাশাপাশি পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়াতে করা হয়েছে বৃক্ষরোপণ। গত শনিবার ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই কার্যক্রমের পর এলাকাটির পরিবেশ আরও উন্নত করার অংশ হিসেবে আলোকসজ্জা ও সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ফলে সন্ধ্যার পর এলাকাটি আলোকিত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাঠ সংলগ্ন এলাকায় সবুজ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি স্থানটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে নিয়মিত রাখার এবং স্থাপন করা লাইট ও বৃক্ষের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক এলাকাটির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাসহ সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন ও সবুজায়নের এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ফতুল্লা মাঠ সংলগ্ন এলাকাকে আরও সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গঠনে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বি পি নিউজ ২৪

‘সিআইডি’ পরিচয়ে অ'পহরণের চেষ্টা, গণপি'টুনির পর ৬ জনের বিরুদ্ধে মা'মলা


প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

‘সিআইডি’ পরিচয়ে অ'পহরণের চেষ্টা, গণপি'টুনির পর ৬ জনের বিরুদ্ধে মা'মলা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সিআইডি সদস্য পরিচয় দিয়ে এক চাকরিজীবীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ জুন) সকালে ভুক্তভোগী অমিত হাসান মিয়াজ রূপগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার হাবিয়া বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা দক্ষিণ ডিবি কার্যালয়ে কর্মরত এসআই মামুন মাতব্বর (৪০), এএসআই আমানুল্লাহ (৩৪), পুলিশ সদস্য কবির (৩৩), আকাশ আহমেদ (৩০), গাড়িচালক আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০) এবং সেলিম মিয়া (৪৫)।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, এজাহারে বলা হয়েছে—গত ১৮ জুন দুপুরে অমিত হাসান মিয়াজ এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে সোনারগাঁওয়ের বারদী এলাকা থেকে সিএনজিযোগে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়ায় যান। সেখানে একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে অবস্থানকালে সিআইডি পরিচয় দিয়ে অভিযুক্তরা তাদের ভেতরে নিয়ে দেহ তল্লাশি চালায়। কিছু না পেয়ে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে অমিত চিৎকার শুরু করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের অপহরণকারী সন্দেহে গণপিটুনি দেয়। এর মধ্যে আকাশ আহমেদ, আবু বক্কর সিদ্দিক ও সেলিম মিয়া পালিয়ে গেলেও এসআই মামুন মাতব্বর, এএসআই আমানুল্লাহ ও পুলিশ সদস্য কবিরকে আটক করা হয়।

পরে আটক তিনজনকে আড়াইহাজার উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নেওয়া হয়। আহত অবস্থায় তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একই চক্রের সদস্যরা গত ১৫ জুন জয়নাল নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে তার স্বজনরা আড়াই লাখ টাকা পরিশোধ করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একইভাবে জাকির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তিকে অপহরণ করে ছয় লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘সিআইডি’ পরিচয়ে অ'পহরণের চেষ্টা, গণপি'টুনির পর ৬ জনের বিরুদ্ধে মা'মলা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সিআইডি সদস্য পরিচয় দিয়ে এক চাকরিজীবীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ জুন) সকালে ভুক্তভোগী অমিত হাসান মিয়াজ রূপগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার হাবিয়া বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা দক্ষিণ ডিবি কার্যালয়ে কর্মরত এসআই মামুন মাতব্বর (৪০), এএসআই আমানুল্লাহ (৩৪), পুলিশ সদস্য কবির (৩৩), আকাশ আহমেদ (৩০), গাড়িচালক আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০) এবং সেলিম মিয়া (৪৫)।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, এজাহারে বলা হয়েছে—গত ১৮ জুন দুপুরে অমিত হাসান মিয়াজ এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে সোনারগাঁওয়ের বারদী এলাকা থেকে সিএনজিযোগে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়ায় যান। সেখানে একটি পাবলিক টয়লেটের সামনে অবস্থানকালে সিআইডি পরিচয় দিয়ে অভিযুক্তরা তাদের ভেতরে নিয়ে দেহ তল্লাশি চালায়। কিছু না পেয়ে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে অমিত চিৎকার শুরু করেন। এ সময় তাকে মারধরের অভিযোগও করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের অপহরণকারী সন্দেহে গণপিটুনি দেয়। এর মধ্যে আকাশ আহমেদ, আবু বক্কর সিদ্দিক ও সেলিম মিয়া পালিয়ে গেলেও এসআই মামুন মাতব্বর, এএসআই আমানুল্লাহ ও পুলিশ সদস্য কবিরকে আটক করা হয়।

পরে আটক তিনজনকে আড়াইহাজার উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নেওয়া হয়। আহত অবস্থায় তাদের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একই চক্রের সদস্যরা গত ১৫ জুন জয়নাল নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে তার স্বজনরা আড়াই লাখ টাকা পরিশোধ করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একইভাবে জাকির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তিকে অপহরণ করে ছয় লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়ার পর তিনি মুক্তি পান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ