নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের বিস্তার ঠেকাতে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। একই সঙ্গে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শহরের বিদ্যা নিকেতন হাইস্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের নয়। নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এসব রোগের বিস্তার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তিনি বলেন, বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে নিয়মিত খেয়াল রাখতে হবে। নিজেদের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আরও বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করতে পারে।
অনুষ্ঠানে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো, অন্যদিকে কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ধারণা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের বিস্তার ঠেকাতে নাগরিকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। একই সঙ্গে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শহরের বিদ্যা নিকেতন হাইস্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের নয়। নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এসব রোগের বিস্তার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তিনি বলেন, বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে নিয়মিত খেয়াল রাখতে হবে। নিজেদের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আরও বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করতে পারে।
অনুষ্ঠানে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদানের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো, অন্যদিকে কিশোরীদের মধ্যে এইচপিভি টিকার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ধারণা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন