শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশার
বিশেষ প্রতিনিধি:
"রোম যখন পুড়ছিল, নিরু তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল"—ফতুল্লার ইসদাইর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশার হাল যেন এখন তেমনই। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির নির্দেশে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ যখন একের পর এক সফল অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করছে, তখন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে এই চক্র।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘ক’ সার্কেল) শামীম হোসেন এবং ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের নেতৃত্বে থানা পুলিশের লাগাতার অভিযানে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা একে একে জালে ধরা পড়ছে। এতে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে ফতুল্লাবাসীর মনে। পুলিশের এই কঠোর ও সফল অবস্থানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
সম্প্রতি ইসদাইর এলাকায় ফতুল্লা মডেল থানার একটি চৌকস টিম অভিযান চালালে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দন, রফিকুল ও শামীমসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি আধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জসিম ও মনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
এই সফল অভিযানের পরই নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং তদন্তের মুখ অন্যদিকে ঘোরাতে সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশা গোষ্ঠী। নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড় চাপাতে তারা একটি অডিও কল তৈরি করে, যা সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। মূলত পুলিশকে চাপে ফেলা ও বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যেই এমন চক্রান্ত সাজানো হয়েছে।
ফতুল্লার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অডিও নাটকের মাধ্যমে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে রাজ্জাক ও আয়েশা। তবে বর্তমান জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে তাদের এই চক্রান্ত সফল হবে না। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, 'দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন' নীতিতেই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশার
বিশেষ প্রতিনিধি:
"রোম যখন পুড়ছিল, নিরু তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল"—ফতুল্লার ইসদাইর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশার হাল যেন এখন তেমনই। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির নির্দেশে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ যখন একের পর এক সফল অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করছে, তখন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে এই চক্র।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘ক’ সার্কেল) শামীম হোসেন এবং ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের নেতৃত্বে থানা পুলিশের লাগাতার অভিযানে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা একে একে জালে ধরা পড়ছে। এতে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক কাটিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে ফতুল্লাবাসীর মনে। পুলিশের এই কঠোর ও সফল অবস্থানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
সম্প্রতি ইসদাইর এলাকায় ফতুল্লা মডেল থানার একটি চৌকস টিম অভিযান চালালে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অভিযান চালিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দন, রফিকুল ও শামীমসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি আধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী জসিম ও মনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
এই সফল অভিযানের পরই নিজেদের পিঠ বাঁচাতে এবং তদন্তের মুখ অন্যদিকে ঘোরাতে সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক ও আয়েশা গোষ্ঠী। নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড় চাপাতে তারা একটি অডিও কল তৈরি করে, যা সাজানো নাটক ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। মূলত পুলিশকে চাপে ফেলা ও বিভ্রান্ত করার লক্ষ্যেই এমন চক্রান্ত সাজানো হয়েছে।
ফতুল্লার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অডিও নাটকের মাধ্যমে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে রাজ্জাক ও আয়েশা। তবে বর্তমান জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে তাদের এই চক্রান্ত সফল হবে না। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, 'দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন' নীতিতেই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন