মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে অটোভ্যান চুরি করতে গিয়ে বাশার গাজী (৩৮) নামে এক চালককে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে আলীরটেকের কুঁড়েরপাড় এলাকার মো. রাজন (৩৬) সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা এ তথ্য নিশ্চিত করে। পিবিআই জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার অপর দুইজন হলেন নারায়ণগঞ্জের তৈলখিলা এলাকার শামীম শেখ (৩৯) এবং মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির মামুদাদপুর এলাকার মো. কাউসার মোল্লা (২৪)।
যেভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
পিবিআইয়ের তথ্যমতে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে টঙ্গীবাড়ীর মামুদাদপুরে নিজ বসতঘরে বাশার গাজীকে হত্যা করা হয়। তিনি অটোভ্যান চালিয়ে বিভিন্ন পোল্ট্রি ফার্মে পরিবহনের কাজ করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে কয়েক মাস ধরে স্ত্রী ও সন্তানরা বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি একাই বসবাস করছিলেন।
২২ সেপ্টেম্বর রাতে তার ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘরটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ ঘর থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, অটোভ্যান চুরির উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি বাশার গাজীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় বাশার তাদের দেখে ফেললে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গলা চেপে ধরলে তার মৃত্যু হয় বলে গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে জানিয়েছে পিবিআই।
পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পিবিআই জানায়। নিহতের কোমরে থাকা চাবি নিয়ে অটোভ্যানের তালা খুলে সেটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের দেখানো মতে চোরাই অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে।
আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুন নেছা বাদী হয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর টঙ্গীবাড়ী থানায় হত্যা, চুরি ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগে মামলা করেন। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা।
গ্রেপ্তার আলীরটেকের কুঁড়েরপাড় এলাকার রাজনসহ তিন আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তবে মামলাটি তদন্তাধীন এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে অটোভ্যান চুরি করতে গিয়ে বাশার গাজী (৩৮) নামে এক চালককে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে আলীরটেকের কুঁড়েরপাড় এলাকার মো. রাজন (৩৬) সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা এ তথ্য নিশ্চিত করে। পিবিআই জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার অপর দুইজন হলেন নারায়ণগঞ্জের তৈলখিলা এলাকার শামীম শেখ (৩৯) এবং মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির মামুদাদপুর এলাকার মো. কাউসার মোল্লা (২৪)।
যেভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
পিবিআইয়ের তথ্যমতে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে টঙ্গীবাড়ীর মামুদাদপুরে নিজ বসতঘরে বাশার গাজীকে হত্যা করা হয়। তিনি অটোভ্যান চালিয়ে বিভিন্ন পোল্ট্রি ফার্মে পরিবহনের কাজ করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে কয়েক মাস ধরে স্ত্রী ও সন্তানরা বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি একাই বসবাস করছিলেন।
২২ সেপ্টেম্বর রাতে তার ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘরটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশ ঘর থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, অটোভ্যান চুরির উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি বাশার গাজীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় বাশার তাদের দেখে ফেললে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গলা চেপে ধরলে তার মৃত্যু হয় বলে গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে জানিয়েছে পিবিআই।
পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পিবিআই জানায়। নিহতের কোমরে থাকা চাবি নিয়ে অটোভ্যানের তালা খুলে সেটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
পিবিআই আরও জানায়, গ্রেপ্তারদের দেখানো মতে চোরাই অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে।
আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুন নেছা বাদী হয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর টঙ্গীবাড়ী থানায় হত্যা, চুরি ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগে মামলা করেন। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা।
গ্রেপ্তার আলীরটেকের কুঁড়েরপাড় এলাকার রাজনসহ তিন আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তবে মামলাটি তদন্তাধীন এবং গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন